সোমবার, ০৩ অক্টোবর ২০২২, ০১:৪৪ পূর্বাহ্ন

নোটিশ
দেশ-বিদেশের সকল আপডেট খবর পেতে ভিজিট করুন অনলাইন ভার্সন ‘মদিনা কন্ঠ ’ ধন্যবাদ। দেশব্যাপি সংবাদদাতা নিয়োগ চলছে । 
ব্রেকিং নিউজ :
হিজলায় মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষে নৌ পুলিশের উদ্দ্যোগে মতবিনিময় সভা কাঁঠালিয়ায় ছোট ভাইয়ের কোপে বড় ভাইয়ের মৃত্যু আড়াই মাসেও সন্ধান মেলেনি স্কুলছাত্রী কিশোরী মিতুর। নলছিটিতে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা নলছিটিতে দাবি আদায়ে পূর্ণদিবস কর্মবিরতি মুখরোচক খাবারে সমৃদ্ধ বাগাতিপাড়া-এম. খাদেমুল ইসলাম নড়াইলের বাদাম বিক্রেতা প্রতিবন্ধী সজীব বিশ্বাস জীবন সংগ্রামে সৈনিকের নাম আন্তর্জাতিক কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান-সালেহ আহমাদ তাকরিম হিজলা প্রেসক্লাব এর আহবায়ক কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কাউনিয়া বৃদ্ধাশ্রমে ১৪জন নারী পুরুষকে শাড়ী এবং লুঙ্গী প্রদান, বরিশাল (ROB)

৩০ বছরের বেশি পানির নিচে মসজিদ, তারপরও অক্ষত

mosque

অনলাইন ডেস্ক:: বিশ্বজুড়ে খরার যে ধাক্কা, তার ছোঁয়া লেগেছে ভারতের বিহার রাজ্যেও। শুকিয়ে আসতে শুরু করে ১৯৭৯ সালে নির্মিত একটি বাঁধে আটকে রাখা পানি। আর এতে দেখা মিলেছে ১২০ বছরের পুরোনো ছোট্ট একটি মসজিদের। ৩০ বছরের বেশি সময় ধরে পানির নিচে থাকলেও তাতে মসজিদের কোনো ক্ষতি হয়নি। খবর এক্সপ্রেস ট্রিবিউন।

গত বুধবার কাশ্মির মিডিয়া সার্ভিসের এক খবরে বলা হয়, ভারতের বিহার রাজ্যের নওয়াদা জেলার চিরাইলা গ্রামে ফুলওয়ারিয়া বাঁধের পানি খরার প্রভাবে সম্প্রতি শুকিয়ে যেতে শুরু করে। এর আগে যখন পানির স্তর কমে যেত, তখন মসজিদের গম্বুজের একটা অংশ দেখা যেত। ফলে কৌতুহল জাগলেও এটি ঠিক কী জিনিস তা অনেকেই বুঝতে পারেনি।  পানি পুরোপুরি শুকিয়ে যাওয়া সম্পূর্ণ মসজিদটির দেখা মেলে।

স্থানীয়রা জানান, মসজিদটি বিংশ শতকের প্রথমদিকে নির্মিত হয়। মুঘল রীতিতে নির্মিত মসজিদটির বয়স এখন প্রায় ১২০ বছর। স্থানীয়রা এ মসজিদের নাম দিয়েছিল নূরী মসজিদ। মাটি থেকে গম্বুজ পর্যন্ত মসজিদর উচ্চতা প্রায় ৩০ ফুট।

১৯৭৯ সালে এখানে ফুলওয়ারিয়া ড্যাম নির্মাণ শুরু হয়। সে সময় এ এলাকায় প্রচুর মুসলমান বসবাস করত। এ মসজিদে তারা নিয়মিত নামায আদায় করতেন। কিন্তু সরকার বাঁধ নির্মাণ শুরু করলে মুসলমানদেরকে এই জায়গা ছেড়ে উঠে যেতে হয়। সরকার পুরো জায়গাটি অধিগ্রহণ করে গ্রামবাসীকে অন্য একটি গ্রামে স্থানান্তর করে। বাঁধ নির্মাণের সময় প্রয়োজন না হওয়ায় কর্তৃপক্ষ মসজিদটির কোনো ক্ষতি করেনি।

বাঁধের পানি শুকিয়ে গেলেও পুরো এলাকা কাদাময় হয়ে আছে। কিন্তু এরমধ্যে কৌতুহলী মুসলমানরা কাঁদা মাড়িয়ে মসজিদে প্রবেশ করে। তারা দেখতে পান মসজিদটি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে। কয়েক দশক ধরে ডুবে থাকলেও কাঠামোর সামান্যতম ক্ষতি হয়নি।

নিউজ টি আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করুন:-


© All rights reserved © 2018 MadinaKantho.com
Design & Developed BY Madina Kantho
error: Content is protected !!