শুক্রবার, ০৫ মার্চ ২০২১, ০৩:৫৪ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
“নিউজ মদিনা কন্ঠ” ওয়েব সাইটটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ব্রেকিং নিউজ :
হিজলায় তীব্র স্রোতের মুখে পরে ৭ জন যাত্রী নিয়ে টলার ডুবি। ঈশ্বরগঞ্জে বিয়ের জন্য যুবকের আত্মহত্যা। লালপুরে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধি প্রকল্পে পুকুর খনন কাজের উদ্ধোধন করেন এমপি বকুল। নাটোরের চলনবিলে বন্যপ্রাণী ও পাখি শিকার রোধে লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা। পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের আস্থার প্রতীক জাহিদুল হাসান বাবু। নাটেরে প্রশাসনের সহায়তায় বিক্রি হওয়া শিশুকে ফিরে পেলেন মা ফুলজান। হিজলায়,হাওলাদার এন্টারপ্রাইজ “ইনডেক্স ফিড”এর পরিবেশক। বরিশালে অভয়াশ্রমে মাছ শিকারের অপরাধে ২ জেলে আটক । হিজলায় ব্রীজ তো নয়, যেন মরণফাঁদে পরিনত। সেচ্ছাসেবী সংগঠন রব এর ফেব্রুয়ারী মাসের সেরা সেচ্ছাসেবী হলেন যারা।

সুগন্ধায় নদী ঘণ্টায় আধা কিলোমিটার বিলীন।

সুগন্ধা নদী

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী হঠাৎ ঘণ্টায় আধা কিলোমিটার বিলীন ভাঙ্গন, মাথা গোঁজার ঠাঁই নেই মোনাছেফ হাওলাদারের।

মোঃ নাঈম হাসান ঈমন, স্টাফ রিপোর্টার:: ঝালকাঠি শহরের গুরুদম এলাকায় সুগন্ধা নদীর তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। বুধবার দুপুরে আকস্মিক ভাঙ্গনে এক ঘণ্টায় আধা কিলোমিটার এলাকা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এর মধ্যে একটি বসতঘর ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা রয়েছে।

ভাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্তরা জানায়, সুগন্ধা নদীর তীর ঘেঁষা ঝালকাঠি শহর। শহরের কৃষ্ণকাঠি এলাকা থেকে গুরুদম পর্যন্ত দীর্ঘ দিন ধরে নদী ভাঙ্গছে। ভাঙ্গনে অসংখ্য পরিবার সর্বস্ব হারিয়েছে। অনেকেই একাধিকবার বসতঘর সরিয়েছেন। বুধবার দুপুরে আকস্মিকভাবে গুরুদম এলাকার ভাঙ্গন শুরু হয়। এতে মোনাছেফ হাওলাদারের বসতঘর নদীতে তলিয়ে যায়। তিনি ঘরের ভেতরের কিছু মালামাল রক্ষা করতে পারলেও বসতঘরটি বিলীন হয়ে গেছে। তীব্র ভাঙ্গনে বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা তলিয়ে গেছে। বর্তমানে ঝুঁকিতে রয়েছে বাসস্ট্যান্ড, একটি বালির খোলা, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও কয়েকশত বসতঘর। নদী তীরের বিশাল ফাটল ধরে আছে। যেকোনো সময় ভাঙনে এসব স্থাপনা নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। ভাঙ্গনকবলিত এলাকার মানুষকে সতর্ক অবস্থায় থাকতে বলেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।

ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের অভিযোগ, দীর্ঘ দিন ধরে নদী ভাঙ্গলেও পানি উন্নয়ন বোর্ড ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এতে সহায় সম্বল হারিয়ে অনেকেই আতঙ্কে রাত কাটাচ্ছেন। পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়া নদী তীরের বাসিন্দারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। নদী ভাঙ্গনের শিকার গুরুদম এলাকার নাজনীন বেগম বলেন, দুপুরে নদীর পানি কিছুটা কমে যায়। তখন একটি এলপিজি বহনকারী একটি জাহাজের ঢেউয়ে আকস্মিকভাবে ভাঙন শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে আধা কিলোমিটার এলাকা নদীতে তলিয়ে যায়। এর মধ্যে আমাদের গাছপালা বিলীন হয়েছে। এখন বসতঘর ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।

একই এলাকার মোনাছেফ হাওলাদার বলেন, আমার ঘরটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। কিছু মালামাল সরাতে পেরেছি, কিন্তু ঘরটি রাখতে পারিনি। দীর্ঘ দিন ধরে এভাবে ভাঙ্গতেই আছে সুগন্ধা নদী। পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কেউই কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এখনই বাধ দেওয়া না হলে বিপদ আরো বাড়বে। নদী তীরের বাসিন্দা মজিবুর রহমান বলেন, বড় বড় ফাটল ধরে আছে। আমাদের বাড়িঘর যেকোন সময় নদীতে চলে যেতে পারে। আমরা পরিবারের লোকজন নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী দিপক চন্দ্র দাস বলেন, নদী ভাঙ্গনের খবর পেয়ে একটি দল ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

“সকল আপডেট নিউজ পেতে পেইজে লাইক দিন”

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখাটির আইনগত, মতামত বা বিশ্লেষণের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখকের । মদিনা কন্ঠ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এসব মন্তব্যের কোনো মিল নাও থাকতে পারে। লেখকের নিজস্ব মতামতের কোনো প্রকার দায়ভার “মদিনা কন্ঠ” নেবে না।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮ - ২০২১. নিউজ মদিনা কন্ঠ
Design & Developed BY Rahmatullah Palush
You cannot copy content of this page