রবিবার, ২০ Jun ২০২১, ০১:১৩ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
দেশ-বিদেশের সকল আপডেট খবর পেতে ভিজিট করুন অনলাইন ভার্সন ‘দৈনিক মদিনা কন্ঠ’ ধন্যবাদ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিশ্বনাথে ইভটিজিং করায় যুবককে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। হিজলায় গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আমিনুল ইসলাম স্বপন চৌধুরী‘র জয়জয়কার। ঈশ্বরগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে ইউএনও’র প্রেস ব্রিফিং। বাসায় ফিরেছেন ইসলামী বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান। শাহান আরা বেগম এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মোনাজাত। গলাচিপায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে উপলক্ষে মতবিনিময় সভা। বিশ্বনাথে প্রবাসীদের নামে চত্বর, অনুদান দিলেন এমপি মোকাব্বির। নলছিটির মগড় ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম উদ্দিনের জয়জয়কার। মেহেন্দিগঞ্জে কলাগাছ খাওয়ার জেরে দুটি গরু নির্মমভাবে কুপিয়ে রক্তাক্ত করলো মেম্বারের ছেলে। তালতলীতে আগুনে পুড়ে গেল ১২ দোকান।

রাজাপুর সরকারি কলেজে উন্নয়ন ফি’র নামে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অবৈধ চাঁদা আদায়।

রাজাপুর সরকারি কলেজ

ঝালকাঠি প্রতিনিধিঃ রাজাপুর সরকারি কলেজ থেকে ২০২০ সালে উচ্চ মাধ্যমিক অটোপাশ করা শিক্ষার্থীদের মার্কশীট ও প্রশংসাপত্র দেয়ার জন্য উন্নয়ন তহবিলের নামে অবৈধ চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে দাবি শিক্ষার্থীদের। গত দু’সপ্তাহ ধরে কলেজের অফিস সহকারী (করনিক) জাকারিয়া জুয়েল প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ফোন দিয়ে ৬০০ টাকা করে নিয়ে আসতে বলেছে এমন অভিযোগ একাধিক শিক্ষার্থীর। গত বছর এই কলেজ থেকে মোট ১৯৫ জন শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করেন।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় পরিক্ষার ফরম ফিলাপের সময় কলেজের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২০০০ টাকার উপরে নেওয়া হয়েছে, আবার পরিক্ষার এডমিট কার্ড দেওয়ার সময় পূণরায় প্রত্যেক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ৫০০টাকা করে নিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। শিক্ষার্থীরা বলছে, কলেজ কর্তৃপক্ষ পূর্বে বলেছিলো, পরিক্ষা যেহেতু হয়নি এডমিট কার্ডের জন্য যে ৫০০টাকা করে নিয়েছে সেই টাকা ফেরত দেয়া হবে শিক্ষার্থীদের। কিন্তু সেটি করা হয়নি।

সরকার যখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা না নিয়ে JSC এবং SSC পরিক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন কলেজ কর্তৃপক্ষ জেএসসি ও এসএসসি’র বোর্ড মার্কশিট জমা নেয়। সাথে প্রত্যেকের কাছ থেকে ২০০ টাকাও নেয় তখন।যারা অটোপাস করেছে, কলেজের অফিস সহকারী যাকারিয়া জুয়েল সেইসকল শিক্ষার্থীদের নাম্বারে কল দিয়ে HSC বোর্ড মার্কশিট, সার্টিফিকেট ও প্রশংসা পত্র পাবার জন্য দরখাস্ত এবং সাথে ৬০০টাকা নিয়ে কলেজে আসতে বলে।

প্রথমে ৬০০টাকা কলেজ অফিসে জমা দিলে তার একটি রসিদ দেয়া হয়। এরপর অধ্যক্ষ রসিদ দেখে দরখাস্তে সাইন দেন। তখন পাওয়া যায় প্রশংসা পত্র ও বোর্ড মার্কশিট।

এরপর যখন সার্টিফিকেট বের হবে তখন এই ৬০০টাকার রসিদ জমা দিয়ে সার্টিফিকেট নিতে হবে। রসিদ হারিয়ে গেলে পূণরায় ৬০০টাকা দিয়ে রসিদ নিতে হবে।

এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে রাজাপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ গোলাম বারী জানান, এটি উন্নয়ন তহবিলের জন্য নেয়া হচ্ছে, তবে কেউ অসচ্ছল হলে বা অনুরোধ করলে তাঁদের কাছ থেকে কমিয়ে নেয়া হচ্ছে।

তিনি প্রতিনিধিকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনার কলেজ থেকেও প্রশংসা পত্র আনার সময় আপনি এই চাঁদা দিয়ে এসেছেন, এতে বেআইনি কিছু নেই। এডমিড কার্ডের টাকা ফেরত দেয়া এমনকি ফর্ম ফিলাপের টাকা ফেরতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফর্ম ফিলাপের টাকার বিষয়ে বোর্ড কিছু জানায়নি এবং এডমিট কার্ডের টাকা এখনো আমরা ফেরত পাইনি।

সরকারি কলেজে সরকারের বরাদ্দে সব উন্নয়ন হয় এরপর আবার উন্নয়ন ফী কীসের এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি অধ্যক্ষ।

এ বিষয়ে বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ইউনূসকে জানানো হলে তিনি বলেন, সরকারি কলেজের উন্নয়ন তহবিলে শিক্ষার্থীরা কেনো টাকা দেবে! এটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান।

রাজাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. মোক্তার হোসেন বলেন, কেউ যদি অভিযোগ করে অবশ্যই আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখাটির আইনগত, মতামত বা বিশ্লেষণের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখকের । মদিনা কন্ঠ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এসব মন্তব্যের কোনো মিল নাও থাকতে পারে। লেখকের নিজস্ব মতামতের কোনো প্রকার দায়ভার “মদিনা কন্ঠ‘র কর্তৃপক্ষ ” নেবে না।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮ - ২০২১. দৈনিক মদিনা কন্ঠ
Design & Developed BY Rahmatullah Palush