শুক্রবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
দেশ-বিদেশের সকল আপডেট খবর পেতে ভিজিট করুন অনলাইন ভার্সন ‘ মদিনা কন্ঠ’ ধন্যবাদ।
ব্রেকিং নিউজ :
বিশ্বনাথে প্রবাসী কল্যান সমিতির কর্তৃক কোভিড-১৯ এ ক্ষতিগ্রস্তদের নগদ অর্থ প্রদান বরিশালে বিসিক উদ্যােক্তা মেলা দীর্ঘ ৬ মাস বন্ধ থাকায় পথে বসেছে আয়োজকরা, চালু’র দাবি ঝালকাঠিতে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে আওয়ামীলীগ নেতা সিদ্দিক গ্রেফতার খুলনার আমিরপুরে হাতপাখার প্রার্থী মাওঃ মিছবাহ উদ্দিনের ব্যাপক গণসংযোগ হিজলায় ৬শত সাতচল্লিশ শিশু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যত অনিশ্চিত ব্রিজটি এখন যেন দুই গ্রামের মানুষের মরণফাঁদ মাওলানা আবদুর রাজ্জাক জেহাদীর ইন্তেকালে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর শোক ঝালকাঠি সরকারি কলেজে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে ক্লাস বিশ্বনাথ উপজেলা জামাতের সাবেক নায়েবে আমির নিজাম সিদ্দিকী গ্রেফতার সেনহাটী ইউনিয়নে হাতপাখার প্রার্থীর গণসংযোগ

মেহেন্দিগঞ্জে বিদেশি জাতের তরমুজ চাষে সফলতা পেয়েছেন-হাসান মাহমুদ সাঈদ।

Watermelon

মোঃ রহমাতুল্লাহ (পলাশ):: বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার অন্দারমানিক ইউনিয়নে বিদেশি জাতের বারোমাসি তরমুজ চাষ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছেন মাষ্টার এইচ এম হাসান মাহমুদ সাঈদ। মাত্র ১০০ শতাংশ জমিতে ৫ জাতের তরমুজ চাষে ৫০ হাজার টাকা খরচে করে ২ লক্ষ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। দূর-দূরান্ত থেকে প্রতিদিন তার তরমুজ চাষ প্রকল্প দেখতে এসে অনুপ্রানীত হচ্ছেন অনেকে। উন্নত মানের বীজের কারণে ফলন ভালো হয়েছে দাবি করেন সংশ্লষ্টিরা। বারোমাসি তরমুজ চাষ করলে অন্যান্যরা লাভবান হবে এবং বেকারত্ব দূর হবে আশা কৃষি কর্মকর্তাদের।

জানা যায়, মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার আন্দারমানিক গ্রামের বাসিন্দা, হাসান মাহমুদ সাঈদ এবং তার স্ত্রী মোসাম্মৎ তাহমিনা দুই জনই দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক। সাঈদ শিক্ষকতার পাশাপাশি মাছ চাষ শুরু করেন। এখন তার ৪টি পুকুর, ২টি ঘের এবং পোনা উৎপাদনের একটি হ্যাচারী রয়েছে। ঘের এবং পুকুর পাড়ে আগে থেকেই বিভিন্ন সবজীর চাষ করে আসছেন তিনি। করোনাকালে স্কুল বন্ধ থাকায় একজন বীজ ব্যবসায়ীর পরামর্শে গত আষাঢ় মাসে বিদেশী জাতের ৫ ধরনের তরমুজ জাতীয় ফলের চাষ করেন তিনি।

সাঈদ জানান, হলুদ তরমুজ কানিয়া, লাল তরমুজ বেঙ্গল টাইগার, লাল তরমুজ সুইট ব্লাক, রক মেলন এরোমা সুইট, রক মেলন রিয়া জাতের এই চারা রোপনের ১ সপ্তাহের মধ্যে ফুল এবং ১০/১২ দিনের মধ্যে ফলন ধরে প্রতিটি গাছে। ২ মাস পরই ফল পরিনত এবং পাঁকা শুরু হয়। ১০০ শতাংশ জমিতে  চারা রোপনসহ পরিচর্যায় প্রায় ৫০ হাজার টাকা খরচ হয় তার। ৫-৬ টন তরমুজ উৎপাদন হওয়ার আশা করেন তিনি। প্রতি কেজি তরমুজ বিক্রি করা হচ্ছে ৬০-১০০ টাকা দরে। ফল বিক্রি করে ২ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন মাষ্টার এইচ এম হাসান মাহমুদ সাঈদ।।

সাঈদের কৃষি শ্রমিক মো. কাদের বলেন, বিদেশী জাতের এই তরমুজ চাষে বাড়তি কোন ঝামেলা নেই। বীজ ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে টিস্যু দিয়ে মুড়িয়ে রেখে অঙ্কুর গজালে একটি ট্রেতে জৈব সার সহ মাটিতে পুতে দিতে হয়। ট্রেতে ১০/১২ রেখে চারা গজানোর পর নিয়মানুযায়ী পৃথক বেড তৈরী করে চারা রোপন করতে হয়। লাল ও হলুদ রংয়ের এই তরমুজ খেতেও সুস্বাধু বলে তিনি জানান।

এদিকে বিদেশী জাতের তরমুজের ব্যাপক ফলনের খবরে দেখতে আসছেন দূর-দূরান্তের অনেকেই। বিদেশী জাতের তরমুজ চাষ দেখে নিজেরাও এই ধরনের প্রকল্প করতে অনুপ্রানীত হয়েছেন বলে জানান।

মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার উপ কৃষি কর্মকর্তা মো. আল মামুন জানান, বারোমাসি তরমুজ চাষের জন্য আমরা মাষ্টার এইচ এম হাসান মাহমুদ সাঈদকে কারিগরিসহ সর্বাত্মক সহযোগিতা করছি। সাঈদ বিদেশি জাতের তরমুজ চাষ করে লাভবান হয়েছে। অন্যারাও এই ফলের চাষ করলে লাভবান হবে এবং বেকারত্ব দূর হবে আশা কৃষি বিভাগের।

মন্তব্য প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখাটির আইনগত, মতামত বা বিশ্লেষণের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখকের । মদিনা কন্ঠ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এসব মন্তব্যের কোনো মিল নাও থাকতে পারে। লেখকের নিজস্ব মতামতের কোনো প্রকার দায়ভার “মদিনা কন্ঠ‘র কর্তৃপক্ষ ” নেবে না।





© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮ - ২০২১.  মদিনা কন্ঠ
Design & Developed BY Rahmatullah Palush
error: Content is protected !!