শনিবার, ৩১ Jul ২০২১, ০৫:৩১ অপরাহ্ন

নোটিশ :
দেশ-বিদেশের সকল আপডেট খবর পেতে ভিজিট করুন অনলাইন ভার্সন ‘দৈনিক মদিনা কন্ঠ’ ধন্যবাদ।
ব্রেকিং নিউজ :

বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক-অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম স্বপন চৌধুরী।

shopon choduri

মো: রহমাতুল্লাহ পলাশ:: ছাত্রলীগের রাজনীতিতে তৃণমূল থেকে উঠে আসা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবক অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম স্বপন চৌধুরী। রাজনৈতিক অঙ্গনে রয়েছে তার খ্যাতি ও সন্মান , তার হাতে গড়ে ওঠেছে হাজারো আওয়ামী লীগের নেতা কর্মী । একদিকে বলা যায় আওয়ামী লীগের কর্মী গড়ার কারিগর।

তিনি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন,তার বাবা মরহুম আবদুল হাই (রাজা মিয়া) ছিলেন এক জন সফল বীরমুক্তিযোদ্ধা। তিনি জন্ম গ্রহন করেন বরিশালে হিজলা উপজেলাধীন গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের রংগা গ্রামে। তিনি সকলের ভালোবাসা ও বাবা মায়ের আদর্শে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠেন স্বপন চৌধুরী।

স্বপন চৌধুরী, লেখা পড়া করেন মুলাদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে, সেখান থেকেই তার ছাত্রলীগ রাজনীতি শুরু হয়। ১৯৮৬-৮৭ সালে মুলাদী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছাত্রলীগে সভাপতি হন এবং মুলাদী কলেজের ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন ছিলেন, ১৯৮৮-৮৯ পযর্ন্ত। প্রকৃতার্থে ছিলেন রাজনীতির এক শুদ্ধ পুরুষ। ছাত্র জীবনেই প্রগতিশীল রাজনীতির পাঠ নেন তিনি। যৌবনে লড়াই আর সংগ্রামের পথ বেছে নেন , পরিণত বয়সে ছিলেন জনহিতে নিবেদিত। নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন মানবতার কল্যাণে।

যখন বিএনপি ক্ষমতায় আসে তখন তাদের নির্যাতন নিপীড়ন সয্য করতে না পেরে চলে যান মাগুরায়। বিএনপি ক্ষমতার আমলে ২২ টি মিথ্যা মামলার আসামী হয়েছিলেন এবং ৫ মিথ্যা মামলার কারা বরন করেনও তিনি। অত:পর বিরোধী দলের নির্যাতন সইতে না পেরে চলে যান মাগুরায়, সেখানে গিয়েও তার ছাত্রলীগ সংগঠন থেকে দুরে সরে যাননি, সংগঠনটিকে প্রগতিশীল করতে , মাগুরা সদর ছাত্রলীগের সভাপতি দায়ীত্ব পালন করেন।

পরিশেষে চলে আসেন আবার নিজ মাতৃভূমি হিজলা উপজেলায়, সেই আবারও প্রান প্রীয় ছাত্রলীগ সংগঠনটি প্রগতিশীল করার লক্ষে কাজ করা শুরু করেন। ১৯৯৫-২০০০ সাল পযর্ন্ত হিজলা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দায়ীত্ব পালন করেন।  তার ভিতরেও পড়া লেখা বাদ দেননি। তিনি উচ্চ শিক্ষার জন্য চলে যান ঢাকায় , সেখানে একটি কলেজে ২০০৭ এলএলবি পাশ করেন, এবং ঢাকা বারে সদ্যস যুক্ত হন ২০০৮ সালে। হিজলা উপজেলা আওয়ামী লীগে সদস্য ছিলেন ২০০৯-১২ সাল পযর্ন্ত ।তিনি বর্তমানে কেন্দ্রীয় বাংলাদেশ প্রজন্ম লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়ীত্ব পালন করছেন।

আদর্শিক রাজনীতির বাতিঘর, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম স্বপন চৌধুরী ছিলেন একজন কর্মীবান্ধব নেতা, জনবান্ধব অভিভাবক ও পরিশীলিত জনসেবক। দলমত নির্বিশেষে যে কেউ এই নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদের কাছে গিয়ে আত্মতৃপ্তি পেতেন।

স্বপন চৌধুরী বলেন, জনগণের দুঃসময়ে পাশে না থাকলে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হওয়া যায় না। আমরা সবসময় জনগনের পাশে রয়েছি , আমৃত্যকাল জনগণের পাশে থেকে সেবা করে যাব ইনশাআল্লাহ।

মন্তব্য প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখাটির আইনগত, মতামত বা বিশ্লেষণের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখকের । মদিনা কন্ঠ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এসব মন্তব্যের কোনো মিল নাও থাকতে পারে। লেখকের নিজস্ব মতামতের কোনো প্রকার দায়ভার “মদিনা কন্ঠ‘র কর্তৃপক্ষ ” নেবে না।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮ - ২০২১.  মদিনা কন্ঠ
Design & Developed BY Rahmatullah Palush
error: Content is protected !!