মঙ্গলবার, ১১ মে ২০২১, ১১:৪২ অপরাহ্ন

নোটিশ :
“দৈনিক মদিনা কন্ঠ” ওয়েব সাইটটি ভিজিট করার জন্য আপনাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।
ব্রেকিং নিউজ :
প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহারের তালিকায় এক পরিবারের সবার নাম । রাতের আধারে ত্রাণ নিয়ে আমেনা বেগমের পাশে দাঁড়িয়েছেন রাজাপুর ইউএনও। আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে আবারও সংঘর্ষে শতাধিক আহত। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও মানব সেবায় এগিয়ে আসলেন-মানবিক নেতা এম হেলাল উদ্দিন। আগৈলঝাড়ায় বসত ঘর পুড়ে ছাই কিন্তু পোড়েনি কোরআন শরিফ। নলছিটিতে ড্রেজার মালিককে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা। বাকেরগঞ্জে বজ্রপাতে একজনের মৃত্যু। বরিশাল বিভাগীয় অনলাইন সম্পাদক-প্রকাশক পরিষদের এতিম ছাত্রদের নিয়ে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ওসমানীনগরে সময় মতো ইফতারী না দেওয়াতে নববধূ হত্যা, স্বামী-শাশুড়ি গ্রেফতার। বরিশালের চন্দ্রমোহন এলাকায় কবরস্থানের জমি দখল করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ।

খুলনার কয়রায় নদীর বাঁধ ভাঙ্গার আতঙ্কে জনপদ।

কয়রায় নদীর বাঁধ

মোঃ আশরাফুল ইসলাম, খুলনা সদর প্রতিনিধি:: খুলনার কয়রা উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের দশালিয়া থেকে হোগলা পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদীর ভেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থান থেকে ছোট-বড় ছিদ্র দিয়ে লোনা পানি প্রবেশ করেছে। প্রায় ৩ কিমি বাঁধের অধিকাংশ জায়গা রয়েছে জরাজীর্ণ অবস্থায়। ফলে আম্ফানের ক্ষত শুকিয়ে উঠার আগেই পুনরায় যে কোন মুহুর্তে বাঁধ ভেঙ্গে পানিতে ডুবে যেতে পারে এলাকার মানুষের ঘর-বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, রাস্তা, মৎস্য ঘের, ফসলি জমিসহ বিভিন্ন স্থাপনা। এলাকার হাজারো মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

এদিকে গত বছরের মে মাসে আম্ফানের আঘাতে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি হয়ে দশালিয়ার বাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। দীর্ঘ ১১ মাস অতিবাহিত হলেও এখনও টেকসই বাঁধ নির্মাণ করা হয়নি। অভিযোগ রয়েছে যথেষ্ট সরকারি বরাদ্দ হলেও টেকসই বাঁধ তৈরিতে গড়িমাসি করছে একটি মহল।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়রার দশহালিয়া থেকে হোগলা পর্যন্ত প্রায় ৩ কিমি রাস্তা অত্যান্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। আজ দুপুরের জোয়ারে পানিতে বাঁধের বিভিন্নস্থান দিয়ে চুকিয়ে ও ছোট-বড় ছিদ্র দিয়ে নদীর পানি এলাকায় প্রবেশ করতে দেখা গেছে। কয়েকজনকে পানি বন্ধের জন্য তাৎক্ষণিক কাজ করতে দেখা গেছে। যারা কাজ করছে তাদের নদীর অপর পাশে মৎস্য ঘের রয়েছে। মৎস্য ঘেরে নদী থেকে পাইপের মাধ্যমে পানি উঠানো হচ্ছে। ফলে ঝুঁকি আরও বাড়ছে।

স্থানীয়দের দাবি বাঁধ মেরামতে সরকারি বরাদ্দ হয়েছে। তবুও কাজ করতে গড়িমাসি করায় আজ এ অবস্থা! আবারো যে কোন মূহুর্তে বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এসও মশিউল আবেদীন বলেন, পানি প্রবেশের সংবাদ শুনেছি। তাৎক্ষনিক পানি বন্ধের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের আওতায় ইতিমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। আশা করি কোন সমস্যা হবেনা। এছাড়া ১৪ ফুট রাস্তা চওড়া করে ৪৮০ মিটার রাস্তার কাজও চলমান রয়েছে। অপরদিকে জাইকার অর্থায়নে হোগলা থেকে এক কিলোমিটার রাস্তার কাজ করা হবে।

উল্লেখ্য, উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের দশহালিয়া কপোতাক্ষ নদের বেড়িবাঁধ গেল বছরের এপ্রিল মাসে জোয়ারের পানি বাড়ায় উপচে লোকালয়ে পানি প্রবেশ করে। খবর পেয়েই স্থানীয় লোকজন স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে কাজ করে পানি প্রবেশ বন্ধ করতে পারলেও মে মাসের আম্ফানে শেষ রক্ষা করতে পারেন নি। আম্ফানে বাঁধ ভেঙ্গে এলাকা প্লাবিত হয়ে যায়। এর আগে ২০০৯ সালে আইলার সময়ও ওই এলাকার বাঁধ ভেঙ্গে লোনা পানিতে চরম ক্ষতি হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

মন্তব্য প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখাটির আইনগত, মতামত বা বিশ্লেষণের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখকের । মদিনা কন্ঠ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এসব মন্তব্যের কোনো মিল নাও থাকতে পারে। লেখকের নিজস্ব মতামতের কোনো প্রকার দায়ভার “মদিনা কন্ঠ‘র কর্তৃপক্ষ ” নেবে না।


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮ - ২০২১. দৈনিক মদিনা কন্ঠ
Design & Developed BY Rahmatullah Palush
You cannot copy content of this page