বুধবার, ০৪ অগাস্ট ২০২১, ১২:৪৩ অপরাহ্ন

নোটিশ :
দেশ-বিদেশের সকল আপডেট খবর পেতে ভিজিট করুন অনলাইন ভার্সন ‘দৈনিক মদিনা কন্ঠ’ ধন্যবাদ।

অবশেষে আজ থেকে খুলছে কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্র।

কক্সবাজার

অনলাইন ডেস্ক:: অবশেষে আজ থেকে খুলছে কক্সবাজারের পর্যটন কেন্দ্র। করোনা পরিস্থিতিতে গত ৫ মাস ধরে সৈকতে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ছিল। একই সঙ্গে বন্ধ ছিল সব পর্যটনকেন্দ্র, হোটেল মোটেল, রেস্তোরাঁ, বার্মিজ দোকানসহ সব ধরনের পর্যটন ব্যবসা। এতে কয়েক হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি জেলা চেম্বারের। এখন সৈকত উন্মুক্তসহ সবকিছু সীমিত আকারে খুলে দেয়ার ঘোষণায় ক্ষতি কাটিয়ে উঠার স্বপ্ন দেখছেন ব্যবসায়ীরা।

বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত শহর কক্সবাজার। এক সময় ৩ মাস বা ৪ মাস বলা হতো পর্যটন মৌসুম। কিন্তু এখন সাগর, পাহাড়, উত্তাল সাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এবং প্রাকৃতিক অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে পুরো বছর জুড়েই আনাগোনা থাকে পর্যটকের।

কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে থমকে যায় পর্যটন খাত। বন্ধ করে দেয়া সৈকতে প্রবেশ, হোটেল মোটেল, রেস্তোরা, বার্মিজ দোকান, পর্যটন কেন্দ্রসহ সব ধরনের পর্যটন ব্যবসা। এতে ক্ষতি হয় কয়েক হাজার কোটি টাকা।

তবে দীর্ঘ ৫ মাস পর সৈকত উন্মুক্ত করে দেয়ার পাশাপাশি সীমিত আকারে সবকিছু খুলতে যাওয়ায় আশায় বুক বাঁধছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

তারা জানান, বিগত পাঁচ মাস ধরে আমাদের অবস্থা খুবই খারাপ ছিলো। ধার নিয়ে চলেছি। যদি সবকিছু খুলে দেয়া হয়; আশা করি ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবো।

ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হবে, তবে পর্যটক আসা অব্যাহত থাকলে এর সাথে জড়িত অন্তত লাখ খানেক মানুষ ভালভাবে চলতে পারবে বলে আশা পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।

কক্সবাজার হোটেল অনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র সরওয়ার হাসান বলেন, আমাদের যেটা ক্ষতি হয়েছে; সেটা পুষিয়ে নেয়া সম্ভব না।

কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সাধারণ আবুল কাশেম সিকদার বলেন, কিছু সংখ্যক পর্যটক আসে তাহলে আমাদের কর্মচারীদের বেতন ভাতা দিতে পারবো।

তবে জেলা প্রশাসক হুঁশিয়ার করে বলেন, পর্যটনের প্রতিটি খাতে স্বাস্থ্যবিধি না মানলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন বলেন, সীমিত আকারে খুলে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে তারা যদি স্বাস্থ্যবিধি না মানে তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কক্সবাজার চেম্বার অব কর্মাসের দাবি, জেলার পর্যটন খাতে করোনায় লোকসান হয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকা।

মন্তব্য প্রকাশিত মত মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। প্রকাশিত লেখাটির আইনগত, মতামত বা বিশ্লেষণের দায়ভার সম্পূর্ণরূপে লেখকের । মদিনা কন্ঠ-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে এসব মন্তব্যের কোনো মিল নাও থাকতে পারে। লেখকের নিজস্ব মতামতের কোনো প্রকার দায়ভার “মদিনা কন্ঠ‘র কর্তৃপক্ষ ” নেবে না।








© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৮ - ২০২১.  মদিনা কন্ঠ
Design & Developed BY Rahmatullah Palush
error: Content is protected !!